অর্থনীতি
জাতীয় গ্রিডে দিনে কমে যাবে ৩২ কোটি ঘনফুট গ্যাস, চার দিন সংকটে বিদ্যুৎ ও শিল্প

কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত সামিটের ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য আগামী ৪ নভেম্বর সকাল ৮টা থেকে ৭ নভেম্বর বিকেল ৪টা পর্যন্ত রিগ্যাসিফিকেশন কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এই সময়ে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক ৩২ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় দেশজুড়ে গ্যাসের স্বল্পচাপ দেখা দিতে পারে।
সামিটের জনসংযোগ দপ্তর থেকে রোববার পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্যের কথা জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, নির্ধারিত সময়ে সামিটের টার্মিনাল থেকে এলএনজিকে গ্যাসে রূপান্তরের মূল কাজ বন্ধ রাখা হবে। ফলে দুটি এলএনজি টার্মিনাল থেকে জাতীয় গ্রিডে দিনে ৯২ কোটি ঘনফুট গ্যাসের সরবরাহ যা ছিলো, তা কমে ৬০ কোটি ঘনফুটে নেমে আসবে। বিজ্ঞপ্তিতে সামিট কর্তৃপক্ষ জানায়, সাময়িক এ অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ।
বর্তমানে দেশে প্রতিদিন গ্যাসের চাহিদা রয়েছে প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট। এর বিপরীতে দৈনিক সরবরাহ করা হচ্ছে মাত্র ২৬৫ কোটি ঘনফুটের মতো, যার ফলে প্রতিদিন এমনিতেই ১১৫ কোটি ঘনফুট গ্যাসের ঘাটতি থেকে যায়। ঘাটতি মেটাতে দুটি এলএনজি টার্মিনাল থেকে নিয়মিত ৯২ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হলেও সামিটের টার্মিনাল বন্ধ থাকার চার দিন সেই যোগান অনেক কমে যাবে। এতে করে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পকারখানা ও আবাসিক সংযোগে গ্যাস সংকট আরও তীব্র হতে পারে বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, গত বছরের ডিসেম্বরেও একই ধরনের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য সামিটের এই টার্মিনালে কার্যক্রম কিছুদিনের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছিলো।
